রবিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে সুন্দরগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করেন লিটনের বড় বোন তাহমিদা বুলবুল কাকুলী।
মামলায় অজ্ঞাত ৪/৫ জনকে আসামি দেখানো হয়েছে। এরআগে রবিবার রাত ৮টার দিকে তিনি এক পাতার একটি এজাহার সুন্দরগঞ্জ থানার (ওসি) মো. আতিয়ার রহমানের কাছে দায়ের করেন।
এদিকে, মামলার পর পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন আরও ১৪ জনকে আটক করেছে। এ নিয়ে সোমবার সকাল পর্যন্ত লিটন হত্যা মামলার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে ৩২ জনকে আটক করা হয়। রবিবার দুপুর পর্যন্ত ১৮ জনকে আটক করা হয়।
সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিয়ার রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘লিটনের বড় বোন তাহমিদা বুলবুল কাকুলী বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করেন। পরে এজাহারের কিছু প্রক্রিয়া শেষে রাতেই মামলা দায়ের করা হয়।’
জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আবদুল্লাহ আল ফারুক আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ‘মামলার আগে ১৮ জন ও মামলার পরে অভিযান চালিয়ে আরও ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ৩২ জনকে আটক করা হয়েছে। আটকদের কাছে হত্যার ঘটনার তথ্য উদঘাটনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’
তিনি আরও জানান, ‘তদন্তের স্বার্থে আটক ব্যক্তিদের নাম পরিচয় জানানো যাচ্ছেনা। হত্যার সঙ্গে জড়িত মূল হোতাসহ দুর্বৃত্তদের আটক করতে পুলিশের কয়েকটি টিম বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে। ’
/এসএনএইচ/