২০০৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে শ্যালিকার সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের জের ধরে ওসমান গনি তার স্ত্রী ফেরদৌসী বেগম লিপিকে (৩৫) হত্যা করেন। নিহত ফেরদৌসী নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার গনিপুর গ্রামের ডা. মো. মমিন উল্লাহর মেয়ে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের শ্যামপুর গ্রামের হাবিব উল্লার ছেলে ওসমান গণি তার স্ত্রী ফেরদৌসী বেগম লিপিকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর বাড়ির পুকুরে ফেলে দেন। এ ঘটনার একমাস পর ২৪ অক্টোবর নিহতের বাবা ডা. মো. মমিন উল্লাহ বাদী হয়ে ওসমান গণিকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। পরে ১৯ অক্টোবর ২০১০ সালে সিআইডি তদন্ত করে ওসমান গণি ও নিহতের বোন তাছলিমাকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে শ্যালিকা ও দুলাভাইয়ের পরকীয়া প্রেমে জড়ানোর বিষয়টি বের হয়ে আসে। পরে আদালত দীর্ঘ শুনানিতে ১২ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এ রায় দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী লক্ষ্মীপুর জজকোর্টের পিপি জসিম উদ্দিন জানান, স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী ওসমান গণির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতা করায় তার শ্যালিকা তাছলিমা বেগম রুমাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত।
/এফএস/
আরও পড়ুন-