সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ৭ জুন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্ভাব্যতা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বান্দরবানের জেলা প্রশাসককে চিঠি দেওয়া হয়।
এই চিঠি পাওয়ার পর তথ্য, মতামত ও প্রস্তাবনা পাঠানোর জন্য বান্দরবান জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবু জাফর নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত পরিদর্শন করেন। কিন্তু এরপর সীমান্তহাট চালুর ব্যাপারে আর কোনও অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়নি।
সীমান্ত হাটের বিষয়ে ঘুমধুম ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, ‘বিভিন্ন সময় এধরনের সীমান্ত বাণিজ্য বিষয়ে প্রস্তাবনা বা আলোচনা হলেও এ পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ বাস্তবায়ন হয়নি।’
জানা গেছে,গত বছরের ১৪ জুন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘুমধুম ইউনিয়ন ও নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের চাকঢালা, দৌছড়ি ইউনিয়নের লেমুছড়ি সীমান্তরেখায় সীমান্ত হাট চালুর বিষয়ে প্রস্তাব প্রেরণ করে।
কিন্তু এতদিনেও আশার আলো না দেখায়, অনেকটা হতাশা দেখা দিয়েছে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বসবাসরত মানুষের মাঝে।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদুল আলম বলেন, ‘সীমান্ত হাট চালুর বিষয়ে যেহেতু প্রধানমন্ত্রী নিজে আগ্রহ দেখিয়েছেন, সেহেতু সফলতা আশা করছি। এদিকে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত হাট চালুর বিষয়ে স্থানীয়রা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর এমপি’র হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
/এপিএইচ/