শনিবার দুপুরে শাব্বির আলম খন্দকারের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও শোক র্যালির সভায় এই ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। সভায় নিহতের বড় ভাই ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, ‘আমরা সবাই জানি কিন্তু বলি না। কিন্তু শাব্বির আলম বলতো। আর সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে তাকে নির্মমভাবে খুন হতে হয়েছিল। স্ত্রী ও সন্তানরাও তাকে হারিয়েছে। এ সন্ত্রাসের সঙ্গে ক্ষমতাসীন দলের লোকজন জড়িত। তাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জড়িত, তাই তাদের নির্মূল করছে না। আমরা এখনও এই হত্যার বিচার পাইনি।’
নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে বিচার দাবিতে মানববন্ধন শেষে কালো পতাকার শোক র্যালি সহকারে শহরের মাসদাইর এলাকায় সিটি করপোরেশনের কবরস্থানে গিয়ে শাব্বিরের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান আয়োজকরা। পরে সেখানে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনের আগে সভায় জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির উপদেষ্টা জামাল উদ্দিন কালু, জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস, মহানগর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ প্রমুখ।
শাব্বির আলম খন্দকার ছিলেন গার্মেন্ট মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ নিটওয়্যার অ্যান্ড ম্যানুফেকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) এর প্রতিষ্ঠাকালীন পরিচালক ও সাবেক সহ-সভাপতি।
২০০৩ সালের শুরুর দিকে অপারেশন ক্লিন হার্ট চলাকালীন একটি অনুষ্ঠানে প্রশাসনের লোকজনের উপস্থিতিতে শাব্বির আলম নিজের জানাজায় সকলকে শরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন। ওই বক্তব্য দেওয়ার কয়েকদিন পর ১৮ ফেব্রুয়ারি শহরের মাসদাইর এলাকায় নিজ বাড়ির অদূরে আততায়ীদের গুলিতে তিনি নিহত হন।
/এপিএইচ/