শুক্রবার (৩ মার্চ) দিবাগত রাত ১১টার দিকে চরবাটা ইউনিয়নের পূর্ব চরমজিদ গ্রামের সেলিম বাজার এলাকা থেকে কহিনুরের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত কহিনুর আক্তার ও আটক মিল্লাত ভোলা জেলার মনপুরা এলাকার বাসিন্দা।
কহিনুরের প্রতিবেশী শিমা বেগম জানান, পাঁচ দিন আগে কহিনুর ও মিল্লাত তাদের মেয়ে মিমকে নিয়ে মনপুরা থেকে পূর্ব চরমজিদ গ্রামে আসে।এখানে তারা খাসজমিতে ঘর তুলে বসবাস শুরু করে।শুক্রবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে কহিনুরের মেয়ে মিমের চিৎকার শুনে আমরা ঘর থেকে বের হই। মিমকে আমাদের ঘরে নিয়ে আসি। এসময় মিম বলে তার মা-বাবা কেউ ঘরে নেই। পরদিন সকালে পাশের গ্রাম থেকে মিল্লাতের বাবা শাহাজান এসে মিমকে তার বাড়িতে নিয়ে যায়।’
মিল্লাতের বাবা শাহাজান ডুবাই বলেন, ‘মিমের কান্নাকাটি দেখে আমার সন্দেহ হয়। আমি মিল্লাতকে ফোন করি। তখন সে তার স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার কথা স্বীকার করে। এরপর তাকে কৌশলে বাড়িতে ডেকে এনে স্থানীয় লোকজনের হাতে তুলে দিই।সে তার স্ত্রীকে হত্যার পর মাটিচাপা দিয়ে রাখার কথা সবার কাছে স্বীকার করে। এসময় স্থানীয় লোকজন মিল্লাতকে আটক করে থানায় খবর দেয়। মিল্লাতের দেওয়া তথ্যানুযায়ী বসত ঘরের ভেতর থেকে মাটি খুড়ে কহিনুরের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।’
চর জব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন হত্যার ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানান, নিহতের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
/এপিএইচ/
আরও পড়ুন: ছুটির দিনেও ফুটপাতে চাঁদাবাজি