শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র অফিসার মো.হারুন অর রশিদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বৃষ্টি চা চাষের জন্য খুবই উপকারী। চায়ের জন্য বছরে ১৫০ থেকে ২৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টি প্রয়োজন হয়।’
নাহার চা বাগানের ব্যবস্থাপক পীযুষ কান্তি ভট্রাচার্য্য বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বৃষ্টি হওয়ায় আমাদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে। চা বাগানে ইয়াং টির (নবীন চা) জন্য ইরিগেশনের (সেচ) ব্যবস্থা করি। এখন আমাদের আর সেচ ব্যবস্থা না করলেও হবে।’
ইস্পাহানি টি কোম্পানির জেরিন চা বাগানের ব্যবস্থাপক সেলিম রেজা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এই বৃষ্টি চায়ের জন্য খুবই উপকারি। বৃষ্টিপাতের ফলে চা গাছে নতুন কুঁড়ি গজাবে আর পাতা আগে তোলা সম্ভব হবে।’
জেসম ফিনলে টি কোম্পানির সিলেট বিভাগের চা-এর উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) গোলাম মোহাম্মদ শিবলি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এই মহুর্তে যে পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে তাতে আমরা স্বস্তিবোধ করছি। বছরে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট মাপের ভিত্তিতে আমরা চা গাছগুলোতে গ্রুনিং (ছাঁটাই) করে থাকি। বসন্তকাল এলেই সাধারণ নিয়মেই কুঁড়ি ছাঁটা হয়।’
/এসএনএইচ/