প্রিজন ভ্যানে হামলা, গ্রেফতার আরেক জঙ্গির ৫ দিনের রিমান্ড

গাজীপুরটঙ্গীতে হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নান ও তার সহযোগীসহ ১৯ আসামিকে ছিনিয়ে নিতে তাদের বহনকারী প্রিজন ভ্যানে বোমা নিক্ষেপ করার ঘটনায় গ্রেফতার জঙ্গি মোস্তফা কামালের আরেক সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৪ মার্চ) নরসিংদীর একটি মাদ্রাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার কা হয়। বুধবার (১৫ মার্চ) বিকালে আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন বলে জানিয়েছেন গাজীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমির হোসেন।
গ্রেফতার জঙ্গির নাম আব্দুল আজিজ কাউসার (২২)। সে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার গোলাবাড়ি এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে।
মো. আমির হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার নরসিংদীর মাধবদীর শেখেরচর জামিয়া ইমদাদিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসায় অভিযান চালিয়ে কাউসারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’
গাজীপুর আদালতের পরিদর্শক মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘কাউসারকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে বুধবার বিকালে গাজীপুরের অতিরিক্ত জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে। এসময় বিচারক ফারহা মামুন কাউসারের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। একইদিন ওই আদলতে জঙ্গী মোস্তফা কামালের পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে বিচারক তার তৃতীয় দফায় চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।’
এদিকে, গত বুধবার একই ঘটনার মামলায় নরসিংদী থেকে গ্রেফতার মিনহাজের তৃতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন গাজীপুরের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। মিনহাজুল ইসলাম (২০) নরসিংদীর মনোহরদী থানার কাটিকাটা উত্তর এলাকার মো. রতন মিয়ার ছেলে। মিনহাজ ও কাউসার নরসিংদীর একই মাদ্রাসার ছাত্র।
গত ৬ মার্চ, সোমবার বিকালে টঙ্গীর কলেজ গেট এলাকায় মুফতি হান্নানসহ ১৯ আসামীকে বহনকারী প্রিজন ভ্যান লক্ষ্য করে বোমা হামলার দিন ঘটনাস্থল থেকে মোস্তাফা কামালকে অগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, বোমা ও চাপাতিসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পরে জ্ঞিাসাবাদে সে তার সহযোগী মিনহাজের নাম-ঠিকানা দেয়।
ওই দিন দিবাগত রাতেই টঙ্গী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অজয় কুমার চক্রবর্তী বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে টঙ্গী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ঘটনাস্থল থেকে আটক মোস্তফা কামালসহ আরও অজ্ঞাত ৭/৮ জনকে আসামি করা হয়।

আরও পড়ুন-
সীতাকুণ্ডে আরও এক ‘জঙ্গি আস্তানা’য় অভিযান, দম্পতি আটক

দিনাজপুরে পীর হত্যাকাণ্ড: যেসব বিষয়ে কাজ করছে পুলিশ

/টিআর/