সংবাদ সম্মেলনে ছাত্র ফেডারেশন নেতারা বলেন, ‘আগামী বাজেটে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিক্যাল কলেজে স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের বেতন পাঁচগুণ বাড়ানোর যে ঘোষণা অর্থমন্ত্রী দিয়েছেন, তা একদম অবাস্তব। প্রাক-বাজেট আলোচনায় এসব অবাস্তব কথা বলে শিক্ষার্থীদের মনোভাব বোঝার চেষ্টা করছেন তিনি। আর তার এ ঘোষণাকে আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। শিক্ষার্থীদের বেতন এক টাকাও বাড়ানোর পাঁয়তারা করলে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’
সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, ‘সরকার চলছে বিশ্বব্যাংকের ইশারায়। বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের সঙ্গে ইউজিসি মিলে শিক্ষাকে একটি লাভজনক ব্যবসার খাত হিসেবে দেখিয়ে ২০ বছর মেয়াদি একটি কৌশলপত্র হাজির করেছে। তারা চায়, ২০২৪ সাল নাগাদ দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় তার নিজ খরচে চলবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে তার আয়ের উৎস হিসেবে নির্ভর করতে হবে প্রধানত শিক্ষার্থীদের বেতনের ওপর। অর্থমন্ত্রীর এই বক্তব্য ইউজিসির কৌশলপত্র বাস্তবায়নেরই আরেকটি পদক্ষেপ ছাড়া আর কিছুই নয়।’
সংবাদ সম্মেলনে ছাত্র ফেডারেশনের পক্ষ থেকে পাঁচটি দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো— অর্থমন্ত্রীকে তার বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করতে হবে, ইউজিসির কৌশলপত্র বাতিল করতে হবে, শিক্ষাখাতে জাতীয় বাজেটের ২৫% বরাদ্দ রাখতে হবে, ক্যাম্পাস থেকে সান্ধ্য আইন প্রত্যাহার করতে হবে এবং অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন দিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে রাবি ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি কিংশুক কিঞ্জল, সাধারণ সম্পাদক তমাশ্রী দাস, সংগঠনিক সম্পাদক সুমন মোড়ল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
/টিআর/