পুলিশসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিহত ছাত্রদল নেতা নুরুর স্ত্রীর

নিহত ছাত্রদল নেতা নুরুল আলম নুরু

ছাত্রদল নেতা নুরুল আলম নুরুর (৪৫) ‘গুলিবিদ্ধ’ লাশ উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশের এক কর্মকর্তাসহ ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে চট্টগ্রাম আদালতে একটি আবেদন করা হয়েছে।  নুরুর স্ত্রী সুমি আক্তার বুধবার (১২ এপ্রিল) মহানগর হাকিম মাসুদ পারভেজের আদালতে এই আবেদন করেন। বাদীর আইনজীবী আব্দুস সাত্তার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বাদীর আইনজীবী আব্দুস সাত্তার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নুরুল আলমের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলার অন্য কোনও থানায় মামলা হয়েছে কিনা তা জানতে চেয়ে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি, নগর পুলিশ কমিশনার ও জেলা পুলিশ সুপারকে ২০ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলেছেন আদালত। প্রতিবেদন পাওয়ার পর অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হবে কিনা, সে বিষয়ে আদালত আদেশ দেবেন।’

আবেদনে জেলার রাউজান থানার নোয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ মোহাম্মদ জাবেদ অভিযুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে ৩১ মার্চ নুরুর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করে পুলিশ। ওই সময় নুরুর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা না করার সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

উল্লেখ্য, ৩০ মার্চ বিকাল ৪টার দিকে রাউজান উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের কোয়েপাড়া গ্রামের খেলাঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীর থেকে নুরুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। রাউজান উপজেলার গুজরা ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামের কমলার দিঘীর পাড় এলাকায় নুরুর বাড়ি। তিনি উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে ছিলেন তিনি।

ওই সময় নুরুর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেন, ২৯ মার্চ রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর চকবাজার থানার চন্দনপুরা এলাকার বাসা থেকে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরদিন বিকালে তার ‘গুলিবিদ্ধ’ লাশ উদ্ধার করা হয়।

/এমএ/