শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ‘সালাম না দেওয়ায়’ বেরোবি’র গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী দীপু রায়কে পুলিশে দেন প্রক্টর তামান্না ছিদ্দিকা। শুক্রবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশ ফাঁড়িতে আটকে রাখা হয়।
এ খবর দীপুর বাবা অনিল চন্দ্রের কানে গেলে তিনি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রক্টরের পদত্যাগের দাবিতে মিছিল ও সমাবেশ করেছেন বলেও জানান সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
তবে প্রক্টর তামান্না সিদ্দিকা বাংলা ট্রিবিউনের কাছে দাবি করেছেন, ‘আমাকে উত্ত্যক্ত করায় দীপু রায়কে পুলিশে দিয়েছি। যদিও প্রথমে মামলা করার কথা ভেবেছি। তবে তার ভবিষ্যতের কথা ভেবে করিনি।’
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান ড. নজরুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দীপু রায়কে আটকে রাখার খবর পেয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়েছি, প্রক্টরের সঙ্গে কথা বলি। দীপুর বাবা মারা যাওয়ার আগেই তাকে ছাড়িয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছিলাম আমরা।’
বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) এরশাদ আলী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তামান্না সিদ্দিকার নির্দেশে দীপু রায়কে আটক করি আমরা।’ তবে অভিযোগ ছাড়া ৫ ঘণ্টা আটকে রাখার কোনও কারণ দেখাতে পারেননি তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নূর উন নবী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তামান্না সিদ্দিকার সঙ্গে খারাপ আচরণ করায় দীপু রায় আটক হয়েছে বলে শুনেছি। অনেকে আমাকে এটাও জানিয়েছেন যে, দীপুর বাবা হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন।’
/এমএ/জেএইচ/আপ-এসএনএইচ/