বুধবার ভোর সাড়ে তিনটার দিকে কাপাসিয়া উপজেলার বাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
শ্রীপুর থানার এসআই মো. কায়সার বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতার শহীদ মামলার প্রধান আসামি ফারুকের ঘনিষ্ট সহযোগী।
উল্লেখ্য, গত ২৯ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে শ্রীপুর রেল স্টেশনের দক্ষিণ পাশের আউটার সিগন্যালের কাছে বাবা ও মেয়ের লাশ পাওয়া যায়। শ্রীপুরের গোসিংগা ইউনিয়নের কর্নপুর (সিটপাড়া) গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে হযরত আলী (৪৫) ও তার পালিত কন্যা আয়েশা আক্তারের (৮) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আয়েশা আক্তার শ্রীপুরের হেরা পটকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে পড়ত।
হযরত আলীর স্ত্রী হালিমা বেগমের অভিযোগ, শিশুটির শ্লীলতাহানির চেষ্টার ঘটনায় বিচার না পেয়ে তাকে নিয়ে তার বাবা আত্মহত্যা করেছে। হালিমা আত্মহত্যায় প্ররোচণা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন প্রতিবেশী ফারুক ও মেম্বার আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে।
হালিমার দাবি, ৮ বছর বয়সী আয়েশাকে মাঝেমধ্যে ফজলুল হকের ছেলে ৩০ বছরের ফারুক সাইকেলে চড়াতেন। এর মধ্যে একদিন মেয়েটিকে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করেন তিনি। প্রায় দুই মাস আগের এ ঘটনার বিচারের দায়িত্ব নেন স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল হোসেন। কিন্তু ফারুকের কাছ থেকে ২০০ টাকা নিয়ে কোনও মীমাংসা ছাড়াই তিনি বিষয়টি ধামাচাপা দেন। ফারুকের বিরুদ্ধে ৪০ হাজার টাকা দামের একটি গরু চুরি এবং বাড়ি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টার অভিযোগও তুলেছেন হালিমা।
আয়েশাকে নির্যাতন করায় ফারুকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিয়েছিলেন বলেও জানান হালিমা।
/এসএনএইচ/