দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তোফাজ্জুর রহমান জানান, এ বছরে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের আটটি জেলার মোট ২ হাজার ৬০৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১ লাখ ৬৪ হাজার ২৯০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬২ জন। পাসের হার ৮৩ দশমিক ৯৮ শতাংশ।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জানান, এ বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে এই শিক্ষা বোর্ড থেকে মোট ৬ হাজার ৯২৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। তাদের মধ্যে ৩ হাজার ৯৩৪ জন ছাত্র ও ২ হাজার ৯৯৫ জন ছাত্রী।
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ বছরে এসএসসি পরীক্ষায় এই বোর্ড থেকে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়লেও কমেছে পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা। গত বছরে এই শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ১ লাখ ৫০ হাজার ২১ জন শিক্ষার্থী, যা এ বছরে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীর চেয়ে ১৩ হাজার ৯৬৯ জন কম। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কম থাকলেও গত বছর এই বোর্ডে পাসের হার ছিল ৮৯ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এ বছরের তুলনায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও গত বছর ছিল বেশি— ৮ হাজার ৮৯৯ জন।
শুধু তাই নয়, গত বছরে এই বোর্ডে শতভাগ পাস করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২৬৯টি। চলতি বছরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৬৬টি। এ বছরে এই বোর্ডের পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা গত ছয় বছরের মধ্যেও সর্বনিম্ন।
এ বিষয়ে বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তোফাজ্জুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এ বছর গণিতে প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। এ কারণেই ফলাফল আগের কয়েক বছরের তুলনায় খারাপ হয়েছে।’
এগিয়ে নীলফামারী, পিছিয়ে দিনাজপুর জেলা
এই বোর্ডে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রংপুর জেলা। এই জেলার পাসের হার ৮৭ দশমিক ৫৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ ২ হাজার ১৭০ জন। তৃতীয় স্থানে থাকা গাইবান্ধায় পাসের হার ৮৫ দশমিক ৭৬ শতাংশ, জিপিএ-৫ ৭৩০ জন। এর পরের অবস্থানগুলোতে রয়েছে যথাক্রমে কুড়িগ্রাম জেলা— পাসের হার ৮৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ ৪৪৮ জন; ঠাকুরগাঁও জেলা— পাসের হার ৮৩ দশমিক ২৮ শতাংশ, জিপিএ-৫ ৭৩৮ জন; লালমনিরহাট জেলা— পাসের হার ৮৩ দশমিক ৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ ২২৮ জন; পঞ্চগড় জেলা— পাসের হার ৮০ দশমিক ৬৭ শতাংশ, জিপিএ-৫ ২৬৬ জন।
আরও পড়ুন-