স্থল ও নৌপথে নিরাপদে চলাচল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবিতে আজ রবিবার রাঙামাটিতে সকাল-সন্ধ্যা পরিবহন ধর্মঘট চলছে। রাঙামাটি জেলা বাস, ট্রাক মালিক ও শ্রমিক মালিক এবং পরিবহন শ্রমিকরা এ ধর্মঘট পালন করছে।
ধর্মঘটের কারণে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এছাড়া জেলা শহর থেকে কোনও উপজেলার উদ্দেশে লঞ্চ ছেড়ে যায়নি।
শুক্রবার (৫ মে) সন্ধ্যায় শহরের পৌর ট্রাক টার্মিনালে ট্রাক মালিক ও শ্রমিক সমিতির কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে শনিবার বিকালের রাঙামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে পরিবহন নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মো. মানজারুল মান্নান ও রাঙামাটির পুলিশ সুপার সাঈদ তারিকুর হাসান। বৈঠকে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার পরিবহন নেতাদের বক্তব্যে পরিপ্রেক্ষিতে তাদের দাবি পূরণে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এরই প্রেক্ষিতে পরিবহন ধর্মঘট অনির্দিষ্টকালের পরিবর্তে শুধু রবিবার সকাল-সন্ধ্যা ধর্মঘট পালনের সিদ্ধান্ত নেয় পরিবহন নেতারা।
রাঙামাটি-রাবার বাগান, ভেদভেদী-আসামবস্তি, আসামবস্তি-কাপ্তাই, ঘাগড়া-বড়ইছড়ি মহাসড়কে এবং নৌপথে পরিবহন ও যানবাহন চলাচলে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতের দাবি জানান পরিবহন নেতারা।
বাস মালিক সমিতির সভাপতি মঈনুদ্দিন সেলিম রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি-চট্টগ্রাম, রাঙামাটি-বান্দরবান, রাঙামাটি-রাবারবাগান সড়কে, ভেদভেদী-আসামবস্তী সড়ক, আসামবস্তী-কাপ্তাই সড়ক, ঘাগড়া-বড়ইছড়ি সড়কে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি করেন।
রাঙামাটি কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ জানান, সকাল থেকে এখন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে পরিবহন ধর্মঘট পালিত হচ্ছে। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, বুধবার ও বৃহস্পতিবার রাতে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের দেপ্যছড়ি এলাকায় আঞ্চলিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো অন্তত ১২টি গাড়ি আটকে যাত্রীদের কাছ থেকে সব ছিনিয়ে নেয়। এসময় গাড়ির চালক ও হেলপারদের মারধরও করা হয়।
/এসটি/