বুড়িমারী স্থলবন্দরের সেই কাস্টমস কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার

বুড়িমারী স্থলবন্দর

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দর কাস্টমসের সহকারী কমিশনার রিজভী আহমেদসহ অপর দুই রাজস্ব কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এক রোগীর সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে তাকে ভারতে রেখে আসার অভিযোগ রয়েছে এই তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (১১ মে) বিকালে তাৎক্ষণিক অবমুক্তকরণ (স্ট্যান্ড রিলিজ) আদেশে তাদের প্রত্যাহার করা হয়।

রিজভী আহমেদ ছাড়া প্রত্যাহার হওয়া অপর দুই কাস্টমস কর্মকর্তা হলেন- রাজস্ব কর্মকর্তা মজিবর রহমান ও সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা এবাদত হোসেন চৌধুরী।

গত ৬ মে বাংলা ট্রিবিউনে ‘সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে রোগীকে ভারতে রেখে এলেন রাজস্ব কর্মকর্তা!’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এর প্রেক্ষিতে এই তিন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বুড়িমারী স্থলবন্দর কাস্টমস অফিস সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক তদন্তে মজিবর রহমান ও এবাদত হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশি মামুনুর রশীদ চৌধুরি নামের এক ডায়াবেটিকস ও থাইরয়েড রোগীর কাছে থাকা ভারতীয় ২ লাখ ২৭ হাজার ৯২০ রুপি ও একটি স্মার্টফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তাই রিজভী আহমেদসহ তিন জনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বুড়িমারী স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, গত ৪ মে বৃহস্পতিবার ঢাকার কাফরুলের ৭৩০/২ ইব্রাহিমপুর এলাকার নাসির উদ্দিন চৌধুরির ছেলে মামুনুর রশীদ চৌধুরি ভারতে চিকিৎসা নিতে যাওয়ার জন্য বুড়িমারী স্থলবন্দর ইমিগ্রেশনে যান। বুড়িমারীতে বাংলাদেশি টাকাগুলো ভারতীয় রুপিতে ভাঙিয়ে নেন তিনি। এরপর ইমিগ্রেশনের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে ভারতে যাওয়ার সময় এবাদত হোসেন চৌধুরি তাকে ডেকে নিয়ে যান কাস্টমস অফিসে। সেখানে রাজস্ব কর্মকর্তা মজিবুর রহমানের কক্ষে তাকে আটকে রাখা হয়। এসময় তার কাছে থাকা ভারতীয় ২ লাখ ২৭ হাজার ৯২০ টাকা ও একটি স্মার্ট ফোন কেড়ে নেন এবাদত হোসেন চৌধুরি ও মজিবর রহমান। পরে তার কাছ থেকে মুচলেকা লিখে নিয়ে সন্ধ্যা ৬টায় ভারতের চ্যাংরাবান্ধা পার করে দিয়ে আসেন তারা।

/এমএ/