জানা গেছে, ২০০৮ সালে টুটুল কুমার ঘোষ একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার বিজ্ঞপ্তির সূত্র ধরে মুন্সিগঞ্জ চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কার্যালয়ের বেঞ্চ সহকারী পদে আবেদন করেন। দীর্ঘ দিন তিনি ওই পদে চাকরির জন্য পরীক্ষার প্রবেশপত্রের অপেক্ষায় ছিলেন। এরই মধ্যে সরকারি চাকরিতে প্রবেশে বয়সের সময়সীমা শেষ হওয়ায় তিনি ওই চাকরির কথা রীতিমত ভুলেই গেছেন। কিন্তু সোমবার সকালে রেজিস্ট্রি ডাকযোগে লিখিত পরীক্ষার কার্ড আসলে বিস্মিত হন দুই সন্তানের জনক টুটুল।
লিখিত পরীক্ষার ওই কার্ডটি হাতে পেয়ে টুটুল কুমার ঘোষ আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, ‘এটা একটা তামাশা। বেকারত্ব ঘুচাতে চাকরির আবেদন করেছিলাম। আমার চাকরির বয়সতো অনেক আগেই শেষ হয়েছে। এখন এই কার্ড দিয়ে আমি কী করবো? আমি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ভাল করলেও বয়সের কারণে এখন আমাকে চাকরি দেওয়ার মতো অবস্থা কী কর্তৃপক্ষের আছে? এটাতো কর্তৃপক্ষের রসিকতা ছাড়া আর কিছুই না।’
/এসএনএইচ/