সোমবার সকাল থেকেই ‘মোরা’র প্রভাবে গুড়িগুড়ি বৃষ্টি শুরু হয়েছে। মংলা উপজেলা প্রশাসন, পৌরসভা এবং বন্দর কর্তৃপক্ষ থেকে পৃথক ৩টি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর ফারুক হাসান, পৌর মেয়র জুলফিকার আলী এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এছাড়া ঘূর্ণিঝড়ের আগাম প্রস্তুতি হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে উপজেলার ৪২টি সাইক্লোন শেল্টার।
এদিকে বন্দরের হারবার সূত্র জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বন্দরে অবস্থানরত ৯টি বিদেশি জাহাজের পণ্য ওঠা-নামার কাজ বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ।
দুবলা ফিশারম্যান গুপের চেয়ারম্যান মেজর (অব.) জিয়া উদ্দির আহম্মেদ বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকায় বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার এরই মধ্যে নিরাপদে আশ্রয় নিয়েছে।’
ঘূর্ণিঝড় মোরা আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে মংলা সমুদ্র বন্দরে আঘাত হানতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
/এসএনএইচ/