গত ২৮ মে সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সামনে রসায়ন বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী মিনাক্ষী চক্রবর্ত্তী ও পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র উৎপল দত্তকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ পাওয়া যায় নৈশপ্রহরীর বিরুদ্ধে।
শিক্ষার্থীরা জানান, নৈশপ্রহরী ইয়াছিন তাদের সঙ্গে আসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। তাদের কাছে থাকা ৩টি মোবাইল ফোনসহ কিছু টাকা ছিনিয়ে নেয়। সোমবার সকালে প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়। পরে নৈশপ্রহরীর শাস্তির দাবিতে মঙ্গলবার শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন। পরে শিক্ষকরা বিচারের আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেন।
নৈশপ্রহরী ইয়াছিন মোবাইল ফোন ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘দু’শিক্ষার্থীকে সন্ধ্যার পর একাডেমিক ভবনের সামনে দেখে তাদের ক্যাম্পাস থেকে চলে যেতে বলি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে দু’শিক্ষার্থী আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করে।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আশিকুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, ‘অভিযোগ পেয়ে জরুরি সভা শেষে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নৈশপ্রহরীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
/এসএনএইচ/