বগুড়ার গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তথ্যের ওপর ভিত্তি করে রবিবার (১১ জুন) রাত ৮টার পর থেকে ওই বাড়ি নজরদারিতে রাখে পুলিশ। রাত ১২টায় ওই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
রাজশাহীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমিত চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘প্রতিবছর তারা বাড়িতে ব্যতিক্রমভাবে ঈদের জামাত পালন করে। গত বছর ঈদের পর থেকে তাদের মাঝে আরও পরিবর্তন আসে। নিজেরা ঈদের আগের দিন বাড়ির উঠানে ঈদের জামাত করতো। এলাকার লোকজনের সঙ্গে তারা মেলামেশা করতো না।’
এছাড়া বাড়িটি থেকে উদ্ধার করা শিশুদের মধ্যে রয়েছে- ইব্রাহীম ও মর্জিনা দম্পতির তিন মেয়ে তামান্না (৮ বছর), তাসকিরা (৪ বছর), তানশিরা (৭ মাস) এবং রবিউল ও হাওয়া দম্পতির তিন মাসের একটি মেয়ে।
জানা গেছে, রমজান আলী গৌরঙ্গপুর সরকারি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক, ইব্রাহীম সার ব্যবসায়ী, ইসরাফিল আলম স্থানীয় হোমিও চিকিৎসক এবং রবিউল পাচন্দর ইউনিয়নের বনকিশোর চকপাড়ায় কাঠমিস্ত্রির কাজ করেন।
তানোর থানার এসআই রায়হান আলী বলেন, ‘ওই বাড়িতে সুইসাইডাল ভেস্ট ও বিপুল সংখক বিস্ফোরক দ্রব্য থাকতে পারে। সেগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। বর্তমানে বাড়িটি ঘিরে রাখা হয়েছে।’
/এসএমএ/এসএনএইচ/এসটি/