৯২ শতাংশ মুসলমানের দেশে গ্রিক দেবীর ‘মূর্তি’ রাখতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল আউয়াল। তিনি বলেছেন, ‘ঈদের আগেই মূর্তি সরাতে হবে, নয়ত সুপ্রিম কোর্ট ঘেরাও করা হবে।’
মঙ্গলবার (১৩ জুন) বিকাল ৪টায় খুলনায় আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। ‘মূর্তি’ পুনঃস্থাপনের প্রতিবাদে বায়তুন নূর চত্বরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খুলনা মহানগর ও জেলা শাখার উদ্যোগে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
মাওলানা আব্দুল আউয়াল বলেন, ‘মূর্তি পুনঃস্থাপন করে মুসলমানদের সঙ্গে চরম তামাশা করা হয়েছে। সুলতানা কামালের মতো নাস্তিক বলতে দ্বিধা করছে না, মূর্তি না থাকলে এদেশে মসজিদও থাকবে না। একথা বলার পরও সরকার তাকে আটক না করে পুলিশ দিয়ে নিরাপত্তা দিয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলার সুযোগ করে দিচ্ছে।’ শিগগিরই সুফিয়া কামালকে আটক ও শাস্তি দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খুলনা নগর সভাপতি ও কেসিসি মেয়র প্রার্থী মাওলানা মুজ্জাম্মিল হকের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মুফতী আমানুল্লাহের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন- জেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুল্লাহ ইমরান, নগর সহ-সভাপতি শেখ মো. নাসির উদ্দিন, মাওলানা মুজাফ্ফর হোসাইন, জেলা সহ-সভাপতি মো. মুসা লস্কার, মুফতী মাহবুবুর রহমান, জেলা সেক্রেটারি শেখ হাসান উবায়দুল করিম, যুগ্ম-সচিব মাওলানা ইমরান হুসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক ও ৩১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মো. গোলাম মোস্তফা সজীব মোল্লা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু গালীব, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মো. তরিকুল ইসলাম কাবির, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও ১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুর রশিদ, অর্থ সম্পাদক ও ১৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী জিএম কিবরিয়া, মো. রবিউল ইসলাম তুষার, মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মো. আব্বাস আমিন, মো. জসিম উদ্দিন, কেএম আল আমীন এহসান, মুফতী আব্দুর রহমান, মাওলানা দ্বীন ইসলাম, মুফতী রবিউল ইসলাম রাফে, অ্যাড. কামাল হোসাইন, মো. নুরুল হুদা সাজু, মো. আনিসুর রহমান, আলহাজ্ব আবু তাহের, মো. হযরত আলী, হাফেজ মোস্তাফিজুর রহমান, গাজী মিজানুর রহমান, মো. ওলিয়ার রহমান, মাওলানা ফরিদ আহম্মেদ, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, শ্রমিক নেতা আলহাজ্ব মো. জাহিদুল ইসলাম, এসএম আবুল কালাম আজাদ, যুব নেতা মো. ইসমাইল হোসেন, ইমরান হোসেন মিয়া, ছাত্রনেতা শেখ মো. আমিরুল ইসলাম, কেএম আব্বাস আলী, এমএ হাসিব গোলদারসহ অনেকে।
সমাবেশের পর দলটি বিক্ষোভ-মিছিলও করে। মিছিলটি বায়তুন নূর চত্বর থেকে শুরু হয়ে ডাকবাংলা পিকচার প্যালেস মোড় ঘুরে ফেরিঘাট মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
/এমএ/