রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন জানান, রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ইউনিয়নেরে ইছাখালী এলাকায় মারফত আলীর ছেলে জুয়েল মিয়া প্রেম করে বিয়ে করে নগরপাড়া গ্রামের সিরাজ মিয়ার মেয়ে সায়লা আক্তার সুমিকে। কিন্তু বিয়ের কিছু দিন পরই ধরা পড়ে জুয়েল মাদকাসক্ত। এ নিয়ে তাদের মধ্যে পরিবারিক কলহ শুরু হয়।
নিহত সুমি আক্তারের বাবা সিরাজ মিয়া জানান, বিয়ের কিছু দিন পরই স্বামী জুয়েল মিয়া যৌতুকের জন্য তার মেয়েকে নানাভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো ।
শনিবার সন্ধ্যায় শ্বশুর বাড়ির লোকজন সুমির ব্যবহৃত পুরনো কাপড়চোপড় তার বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় এবং জানায় যে, সুমি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হয়েছে। তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই খবরশোনার পর সিরাজ মিয়াসহ বাড়ির লোকজন সুমির শ্বশুর বাড়িতে ছুটে আসেন এবং দেখতে পান, মেয়ের লাশ পড়ে আছে।
ওসি ইসমাইল হোসেন জানান, নিহতের গলায় ওড়না জাতীয় কিছু দিয়ে পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতের পিতা সিরাজ মিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সুমির স্বামী জুয়েল মিয়াকে আটক করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে রূপগঞ্জ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। সকালে ময়না তদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হসাপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।
/এপিএইচ/