ওসি বাসুদেব সিনহা জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফরিদুলের বাবা দানেজ আলী বাদী হয়ে ২৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১শ’ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে শিপনের মা শেফালী বেগম বাদী হয়ে ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও দেড়শ’ জনকে আসামি করে আরেকটি মামলা করেন। মামলার অধিকাংশ আসামিই সরকারদলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থক।
ওসি আরও জানান, এসব মামলায় ইতোমধ্যে ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, বুধবার (২৮ জুন) কামারখন্দ উপজেলার পাইকোশা ও বাগবাড়ী গ্রামবাসী এবং সরকারদলীয় লোকজনের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ্বে দিনভর দফায় দফায় সংঘর্ষে ৩০ জন আহত হন। ওইদিন সন্ধ্যায় ঢাকায় নেওয়ার পথে পাইকোশা গ্রামের কলেজছাত্র ফরিদুল মারা যান। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে বগুড়ায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান বাগবাড়ী গ্রামের যুবক শিপন।
/এনআই/