হুমায়ুন কবির বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ মোটরসাইকেল চোরকে আমরা আটক করেছি। তাদের কাছ থেকে ৮টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। এই পাঁচজন মোটরসাইকেল চুরি করার পর যন্ত্রাংশ খুলে বিক্রি করতেন।’
আটক পাঁচজন হলেন, মো. আরিফ (২৬), মো. শাহেদ (২৩), মো. ইসমাইল (২৮), মো. আমানত উল্লাহ রাব্বী (২২) ও মো. ইউসুফ (৩৪)। এদের মধ্যে আরিফ, শাহেদ ও ইসমাইল নগরীর চান্দগাঁও এলাকায় থাকতেন। অপর দুই জনের মধ্যে রাব্বী শুলকবহর পিএইচপি শো-রুমের পেছনের গলিতে থাকতেন এবং ইউসুফ বায়েজিদ বোস্তামি এলাকার ড্রীমল্যান্ড আবাসিক এলাকায় থাকতেন।
তাদের কাছ থেকে একটি লাল ইয়ামাহা ফেজার, একটি সাদা ইয়ামাহা ফেজার, একটি নীল সাদা ইয়ামাহা জ-১৫, একটি ধূসর কালারের ইয়ামাহা এফজেড, একটি লাল সুজুকি গিজ্জার, একটি লাল-কালো পালসার, একটি নীল-কালো ওয়ালটন, একটি বাজাজ প্লাটিনা মোটর সাইকেলসহ সর্বমোট ৮টি চোরাই মোটরসাইকেল ও মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ খুলে বিক্রি করা অবস্থায় একটি ইয়ামাহা এফজেড মোটরসাইকেলের চেসিসসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (পশ্চিম) হুমায়ন কবির বলেন, এদের মধ্যে আরিফ পেশাদার মোটরসাইকেল চোর সিন্ডিকেটের হোতা। সে নিজে মোটরসাইকেল চুরি করে এবং চোরাই মোটরসাইকেল সংগ্রহ করে বিক্রি করে থাকে। অন্যদিকে রাব্বি, শাহেদ, ইসমাইল, ইউসুফ-রা ইউসুফের সঙ্গে চোরাই মোটরসাইকেল সংগ্রহ করে অনলাইন ফেইসবুক পেজে বিজ্ঞাপন দেওয়ার মাধ্যমে অন্যান্য এজেন্টদের সহায়তায় ফটিকছড়ি, হাটহাজারী, রাঙ্গুনিয়া, কক্সবাজারসহ বৃহত্তর চট্টগ্রাম এলাকায় বিক্রি করে। এদের বিরুদ্ধে বায়েজীদ বোস্তামী থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
/এনআই/