চট্টগ্রামের পাঁচ জেলায় সাম্প্রতিক পাহাড় ধসের কারণ অনুসন্ধান ও ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়নে গঠিত জাতীয় কমিটির প্রতিনিধি দল রাঙামাটির ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছে। বুধবার (৫ জুলাই) প্রতিনিধি দলটি রাঙামাটির শিমুলতলী, মুসলিম পাড়া, নতুন পাড়াসহ বেশ কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করে। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা রাঙামাটির বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন এবং ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। পরে সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তারা।
প্রতিনিধি দলের আহ্বায়ক ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সত্যব্রত সাহা বলেন, ‘এবারের পাহাড় ধস সম্পূর্ণ নতুন মনে হচ্ছে। কারণ যেখানে মানববসতি আছে কেবল সেখানেই পাহাড় ধস হয়েছে; এমনটা নয়। যেখানে মানুষের আনাগোনা নেই সেখানেও পাহাড় ধস হয়েছে। পুরো রাঙামাটিই এখন পাহাড়ধসের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এম শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘পাহাড় ধসের পেছনে মানবসৃষ্ট ও প্রাকৃতিক দুই ধরনের কারণই আছে। অতিরিক্ত গাছ কাটা ও বন উজারের কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া পাহাড়ের যত্রতত্র বসবাসের কারণেও পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে।’
২৭ সদস্যের এই প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় রাঙামাটিতে আসে। তারা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় করে।
উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন ভোরে রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে পাহাড় ধসে ১৩৫ জন নিহত হন।
/এএম/এমএ/