বেনাপোল গ্রিনলাইন পরিবহনের ম্যানেজার রবিন ধর্মঘটের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পৌরসভা মেয়র সমর্থিত ছাত্রলীগ নেতারা তাদের অফিসের সামনে দিয়ে মিছিল নিয়ে যাচ্ছিলো। এসময় কোনও কারণ ছাড়াই তারা তিন শ্রমিককে মারধর ও কাউন্টারে ভাঙচুর চালায়। অভিযুক্তদের বিচারের দাবিতে এ ধর্মঘট ডাকা হয়েছে।’
এ বিষয়ে শার্শা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আকুল হোসেন বলেন, ‘যশোর জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন সফলের জন্য মিছিল নিয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বেনাপোল বাজার পার হচ্ছিলো। এসময় গ্রিনলাইন পরিবহনের একটি বাস মহাসড়কের উপর দাঁড়িয়ে ডালা উঠিয়ে মালামাল তুলছিলো। এতে মানুষজন চলাচলের সমস্যা নিয়ে কথা বলা হলে তারা মিছিলে থাকা ছাত্রলীগের এক কর্মীর সঙ্গে খারাপ আচারণ করে। এ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক ও হাতাহাতি হয়। কাউন্টারে কোনও ভাঙচুর চালানো হয়নি।’
বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) শামীম খন্দকার জানান, মাইকে মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষে ধর্মঘটের বিষয়ে প্রচার চালাতে শুনেছি। তবে পরিবহনের কেউ এ পর্যন্ত পুলিশের সহযোগিতা চাননি।’
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, পরিবহন ধর্মঘট হলে বেনাপোল বন্দর থেকে আমদানি পণ্য পরিবহনসহ যাত্রী যাতায়াত বিঘ্নিত হবে।
বিষয়টি আগে থেকেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সমাধানের বিষয়ে পদক্ষেপের আহ্বান জানানো হয়। কোনও সুরাহা না হওয়ায় এ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে।
/এসএমএ/