আটক ব্যক্তিরা হলেন, চারঘাট উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা পূর্ব পরিষদের সেক্রেটারি নাজমুল হক, বাঘা পৌর জামায়াতের আমির অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম, আড়ানী পৌর জামায়াতের আমির শামসুল ইসলাম, জামায়াত নেতা মজিবুর রহমান, ওয়াজেদ আলী, সেকেন্দার আলী, মোয়াজ্জেম হোসেন, আহম্মদ আলী ও রফিকুল ইসলাম। এরা প্রত্যেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে জামায়াত সভাপতি ।
বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মাহমুদ বলেন, ‘শনিবার আছরের নামাজের পর উপজেলার আমোদপুর জামে মসজিদে আটক ব্যক্তিরা গোপনে বৈঠক করেন। পুলিশ বিষয়টি জানতে পেরে মাগরিবের নামাজের আগে ও মসজিদ থেকে তাদের আটক করে।’
ওসি আরও বলেন, ‘উপজেলার আমোদপুর, চকছাতারি, বানিয়াপাড়া, মর্শিদপুর গ্রামগুলো জামায়াত অধ্যুষিত এলাকা। এসব এলাকার মসজিদগুলোতে প্রায়ই গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। শনিবারও আমোদপুর মসজিদে জামায়াত নেতারা গোপন বৈঠক শুরু করেছিল। ’
শনিবার রাত ১০টা দিকে ওসি আলী মাহমুদ বলেন, ‘মামলার প্রক্রিয়া চলছে। রবিবার তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হবে।’
তবে উপজেলা জামায়াতের আমির ও বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা জিন্নাত আলী দাবি করেন, তারা আছর নামাজ শেষে কোরআন হাদিস নিয়ে মসজিদে আলোচনা করছিলেন। এই সময় আটক করে থানায় আনা হয়েছে।’
/এপিএইচ/
আরও পড়ুন:
বাহাত্তরের গণপরিষদ প্রণীত ধারা আদালত কিভাবে অসাংবিধানিক বলেন: প্রধানমন্ত্রী