২৯ দিনেও সচল হয়নি বান্দরবান-রুমা সড়ক, জনদুর্ভোগ চরমে

বান্দরবান-রুমা সড়ক (ছবি: বান্দরবান প্রতিনিধি)ভারি বর্ষণে সৃষ্ট পাহাড় ধসে বন্ধ হয়ে যাওয়া বান্দরবানের রুমা উপজেলার প্রধান সড়কটি ২৯দিনেও যান চলাচলের উপযুক্ত করে তোলা যায়নি। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন রুমা উপজেলাবাসী। রুমা বাজারে বৃদ্ধি পাচ্ছে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম। একইসঙ্গে নষ্ট হচ্ছে উপজেলায় উৎপাদিত কাঁচামাল।

অপরদিকে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক না থাকায় রুমার পর্যটন স্পটগুলো প্রায় পর্যটকশূন্য হয়ে পড়েছে। ফলে লোকসানের মুখে পড়েছেন হোটেল-মোটেলসহ পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।বান্দরবান-রুমা সড়ক (ছবি: বান্দরবান প্রতিনিধি)

ভারি বৃষ্টিপাতে গত ১২ জুন জেলা শহর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে দলিয়ানপাড়া এলাকায় পাহাড় ও সড়ক ধসে রুমা উপজেলা সঙ্গে বান্দরবানের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এনজিও কর্মকর্তা মংসানু মার্মা জানান, ‘রুমার জনসাধারণ অনেক কষ্ট করে দলিয়ানপাড়া পর্যন্ত আসে। সেখান থেকে পায়ে হেঁটে প্রায় ১কিলোমিটার সড়ক পাড়ি দিয়ে আবার অন্য পরিবহণে বান্দরবান জেলা শহরের পৌঁছাতে হচ্ছে। প্রায় এক মাস ধরেই তারা এভাবে রুমা-বান্দরবান সড়কে চলাচল করছেন।’বান্দরবান-রুমা সড়ক (ছবি: বান্দরবান প্রতিনিধি)

রুমা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি উজ্জল বাবু বলেন, ‘যানচলাচল স্বাভাবিক না হওয়ায় পুরো উপজেলায় নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম দ্রুত বাড়ছে। এছাড়া পরিবহনের অভাবে নষ্ট হচ্ছে উপজেলায় উৎপাদিত আম, আনারস, কলা, কাজুবাদাম, শাকসবজিসহ বিভিন্ন কাঁচামাল। এতে প্রচুর আর্থিক ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছেন চাষীরা।’ বান্দরবান-রুমা সড়ক (ছবি: বান্দরবান প্রতিনিধি) 

বান্দরবান সেনাবাহিনীর ১৯ ইসিবি’র (প্রকৌশল নির্মাণ ব্যাটালিয়ন) ওয়ারেন্ট অফিসার সৈয়দ নাজমূল হুদা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ভারী বৃষ্টিপাতে ধসে যাওয়া রুমা সড়কটি আবার যান চলাচলের উপযোগী করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সেনাবাহিনী ১৯ইসিবি’র সদস্যরা। শিগগিরই এ সড়কে যান চলাচল করতে পারবে।’

/এফএস/ 

আরও পড়ুন- বান্দরবানে প্রবল বর্ষণে পাহাড় ধসের আশঙ্কা, ঝুঁকিতে কয়েক হাজার পরিবার