তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফরিদ হোসেন জানান, ‘সাতক্ষীরার জেলার ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্যিক এলাকা তালা সদরের উপজেলা পরিষদের প্রাচীরের পাশে উপজেলা পরিষদের জায়গা দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করার সময় সম্প্রতি হারান সাধু নামে এক ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। সেই থেকে তালা উপজেলা পরিষদের জায়গা দখল করে অবৈধ দোকান-ঘর নির্মাণ কাজ বন্ধ ছিল। জেল থেকে বের হয়ে পুনরায় ওই ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেন ওই ব্যবসায়ী। এ জন্য ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে আমাকে (ইউএনওকে) ম্যানেজ করতে জেলা পরিষদের সদ্য নির্বাচিত মেম্বার মীর জাকির হোসেন ও তার সহযোগী তরিকুল ইসলাম ২ লাখ টাকা নেন। এছাড়া পাট ব্যবসায়ী কুমারেশ ঘোষের কাছ থেকে নেন আরও ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। কিন্তু আমি (উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা) ঘর নির্মাণ কাজে বাধা দিলে উপরোক্ত বিষয়টি ফাঁস হয় এবং ওই দুই ব্যবসায়ী বিষয়টি আমার কাছে স্বীকার করেন।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরও জানান, ‘বিষয়টি জানার পর তাৎক্ষণিকভাবে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে তাদের গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছি। ওই দুই চাঁদাবাজের নামে তালা থানায় মামলা দায়ের করেছি।’
অভিযুক্ত মীর জাকির হোসেনের বলেন, ‘এটা নিয়ে লেখালেখির কিছু নেই। মিমাংসার চেষ্টা চলছে।’ অন্য অভিযুক্ত তরিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।
তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান হাফিজুর রহমান জানান, ‘আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’
/এনআই/