জেলার নদ-নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ, মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ, সরিষাবাড়ি ও জামালপুর সদরের আরো ১৫টি ইউনিয়ন নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। জেলার ৬টি উপজেলার ৪০টি ইউনিয়নের দেড় লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে ১৩৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
স্থানীয়রা জানান, টানা বন্যায় পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। দুর্গত মানুষের ঘরে খাবার নেই। গবাদিপশুর খাবার জোটাতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গত কয়েক দিনে ৯০ মেট্রিক টন চাল, ৩ হাজার ২০০ প্যাকেট শুকনো খাবার ও দেড় লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। তবে এই ত্রাণ প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই কম বলে অভিযোগ দুর্গতদের।
জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রাসেল সাবরিন জানান, নতুন করে ১০০ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ৫ লাখ টাকা চেয়ে ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে।
এদিকে বন্যাকবলিত এলাকায় পানিবাহিত নানা রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। তা প্রতিরোধে বন্যাকবলিত এলাকায় ৭৭টি মেডিকেল টিম কাজ শুরু করেছে বলে নিশ্চিত করেছে জামালপুরের সিভিল সার্জন কার্যালয়।
এএইচ/