হিলি সীমান্তে সিসি ক্যামেরা ও সার্চলাইট স্থাপনের কাজ শেষ

সীমান্তে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরাদিনাজপুরের হিলি সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান রোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) উদ্যোগে সীমান্ত এলাকায় উচ্চ রেজ্যুলেশনের সিসি (ক্লোজ সার্কিট) ক্যামেরা ও সার্চলাইট স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। বিজিবি আশা করছে, এর ফলে সীমান্ত এলাকা দিয়ে চোরাচালান বন্ধসহ সীমান্তের অন্যান্য অপরাধ প্রবণতা কমে আসবে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, তৃতীয় পর্যায়ে বিজিবির হিলি আইসিপি ক্যাম্পের আওতাধীন হিলি সীমান্ত চেকপোস্ট গেটের পাশে বিজিবির ৭নং পোস্ট থেকে বিজিবির ১২নং পোস্ট ফকিরপাড়া এলাকা পর্যন্ত উচ্চ রেজ্যুলেশনের ১৬টি সিসি ক্যামেরা ও ১৮টি সার্চলাইট বসানো হয়েছে। এর আগেও দুই দফায় আরও ৩৪টি সিসি ক্যামেরা ও ৩৬টি সার্চলাইট স্থাপন করা হয় সীমান্তবর্তী এলাকায়।
সীমান্তে বসানো হয়েছে সার্চলাইটওবিজিবির হিলি আইসিপি ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার লাভলু শিকদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘হিলি আইসিপি ক্যাম্পের আওতাধীন হিলি সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানকারী চক্র সক্রিয়। এই সীমান্ত দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে চোরাচালান রোধ করতেই সিসি ক্যামেরা ও সার্চলাইট বসানোর উদ্যোগ নেয় বিজিবি। এর আগে দুই দফায় এসব সরঞ্জাম বসানোর পর এবারে তৃতীয় পর্যায়ে সিসি ক্যামেরা ও সার্চলাইট বসানোর কাজও শেষ হয়েছে। এখন চলছে সংযোগ স্থাপনের কাজ।’
সুবেদার লাভলু শিকদার বলেন, ‘সীমান্ত এলাকায় সিসি ক্যামেরা থাকায় চোরাচালানসহ অন্যান্য অপরাধ প্রবণতা অনেকাংশে কমে আসবে। এরই মধ্যে সীমান্তের অন্য এলাকাগুলোতেও এসব ডিভাইস বসানোর ফলে চোরাচালানসহ অন্যান্য অপরাধ প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হয়েছে বিজিবি।’ পর্যায়ক্রমে সীমান্তের অন্য এলাকাগুলোতেও এসব ডিভাইস বসানো হবে বলে জানান তিনি।
সিসি ক্যামেরা ও সার্চলাইট স্থাপনে চোরাচালানসহ অপরাধ প্রবণতা কমবে বলে আশা করছে বিজিবিএর আগে, প্রথম পর্যায়ে হিলি সীমান্তের চেকপোস্ট গেট থেকে শুরু করে হিলি সীমান্তের রেলওয়ে স্টেশন এলাকা পর্যন্ত ১৮টি সিসি ক্যামেরা ও সার্চলাইট বসানো হয়েছিল। পরে দ্বিতীয় পর্যায়ে বিজিবির হিলি বিওপি ক্যাম্পের আওতাধীন হিলি রেলওয়ে স্টেশনের কামালগেটের পাশের এলাকা থেকে আটাপাড়া রেলগেটে বিজিবির ১নং পোস্ট পর্যন্ত বসানো হয় এসব ডিভাইস। বিজিবি বলছে, এর ফলে সীমান্তে অপরাধ প্রবণতা অনেকটাই কমে গেছে।

আরও পড়ুন-

গাজীপুরে স্ত্রী খুনের অভিযোগে স্বামী আটক

হুমকির মুখে সিংড়া-রতনপুর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, বাড়ছে দুর্ভোগ

/টিআর/