ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটে কিষানি নামে একটি ফেরি বিকল হয়ে পড়ায় উভয় ঘাটের পাড়ে তিন শতাধিক যানবাহন আটকা পড়েছে। শনিবার (১৫ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত লক্ষীপুর মজু চৌধুরীহাট ফেরিঘাটে ১৫৩টি ও ভোলা ঘাটে ১৫১টি যানবাহন আটকা পড়ে। লক্ষীপুর ঘাটের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শিহাব উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
শিহাব উদ্দিন জানান, লক্ষীপুর ঘাটে ১৫৩টি যানবাহন অপেক্ষা করছে। ভোলা ঘাটে ১৫১টি যানবাহন আটকে রয়েছে। অপেক্ষায় থাকতে থাকতে অনেক যানবাহনের চালকরা ক্ষেপে যায়। তাদের ভয়ে সাবধানে থাকতে হয়। ভোলাসহ দক্ষিণাঞ্চলের যে কোনও স্থান থেকে এ রুটে অল্প সময়ে চট্রগ্রাম ও কুমিলা অঞ্চলে যাতায়াত করা যায়। সেকারণে এই ফেরিঘাটে সবসময়ই চাপ থাকে। এখানে কমপক্ষে ৬টি ফেরি দরকার।
ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) আবু আলম হাওলাদার জানান, এ রুটে কুসুমকলি, কনকচাঁপা ও কিষানি নামে তিনটি ফেরি চলাচল করে। এর মধ্যে গত সোমবার (১০ জুলাই) কিষানি বিকল হয়ে যায়। এর পর থেকে ফেরি ঘাটের দুই পাড়ে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন পড়ে যাওয়া শুরু হয়।
তিনি আরও জানান, এ রুটে আরও ফেরি দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) মহা ব্যবস্থাপক শাহাদত আলীকে বারবার চিঠি দিয়েছি। সর্বশেষ গত ১০ জুলাই চিঠি দিয়েছি, কিন্তু কোনও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় অসহায় হয়ে পড়েছি। বিকল ফেরি বিআইডব্লিউটিসির নারায়ণগঞ্জের ১নং ঘাটে রয়েছে। এ রুটে আরও ৩টি ফেরি দরকার।
/এমএ/