এ ব্যাপারে পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ হাসান ইমাম বলেন, ‘বাঁশের পাইলিং ও জিওব্যাগ বালির বস্তা দিয়ে ধসে যাওয়া অংশ মেরামতের আপ্রাণ চেষ্টা চলছে।’
একই দপ্তরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী একেএম ফজলুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, বাঁধটির ভেঙ্গে যাওয়া অংশে মেরামতের চেষ্টা অব্যাহত আছে। তবে এখনো স্রোত নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি।
বঙ্গবন্ধু সেতুর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সেনাবাহিনীর ৯৮ বিগ্রেড ও রিভার ইঞ্জিনিয়ারের কোরের সেনাসদস্যরা শুক্রবার সকাল থেকে পাউবোর সাথে যৌথভাবে বাঁধ রক্ষার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত তারা নদীর স্রোত নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়।
স্থানীয়রা জানায়, গত নয় মাসের অব্যাহত ভাঙ্গনে ওই অঞ্চলে ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের প্রায় ৩’শ মিটার অংশ নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। অরক্ষিত হয়ে পড়ে মূল বাঁধের প্রায় দেড় কি.মি. অংশ। নতুন করে ভাঙ্গন দেখা দেওয়ায় পৌনে দুই কি.মি. অংশে বিকল্প রিং বাঁধের পরিকল্পনা নেয় পাউবো। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও পাউবোর গাফেলতিতে নির্মাণ শেষের আগেই ধস নামে রিং বাঁধে।
এএইচ/