নিহতদের লাশ খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী গুড্ডু বাবুকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে অস্ত্র ভাণ্ডারের তথ্য পাওয়া যায়। অস্ত্র উদ্ধারের জন্য তাকে সঙ্গে নিয়ে পুলিশের একটি টিম রবিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে রেলওয়ের চার নম্বর ঘাট এলাকায় যায়। প্রভাতী স্কুল সংলগ্ন কবরখানায় পৌঁছানোর পরই সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। জবাবে পুলিশ সদস্যরাও পাল্টা গুলি করেন। এর ২০ মিনিট পর সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।’
তিনি বলেন, ‘এসময় গুড্ডু বাবুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থা পাওয়া যায়। পরে ওই এলাকা তল্লাশিকালে তার সহযোগী মাহমুদকেও গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পুলিশ সদস্যরা দুই জনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন।’
ওসি আরও জানান, বন্দুকযুদ্ধের সময় তিনিসহ পুলিশের চার জন আহত হয়েছেন। তারা হলেন এসআই সুজিত, এএসআই সরোয়ার ও কনস্টেবল আব্দুল্লাহ। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে।
এদিকে মহানগরের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় (মন্নুজান স্কুল) সংলগ্ন এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ইয়াসিন আরাফাত (২৮) নামে আরও এক যুবক আহত হয়েছে। সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমতাজুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আহত ইয়াসিনকে পুলিশ হেফাজতে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
/এএইচ/ এপিএইচ/