এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, হাটের ভবনটি জীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সেটিকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। হাটের ভবন থেকে ব্যবসায়ীদের সরে যাওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। সেখানে জনসাধারণের প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বুধবার সকালে একটি সাইনবোর্ড লাগানো হবে। ঝুঁকিপূর্ণ হাটে কেউ ব্যবসা করলে এবং কোন দুর্ঘটনা ঘটলে সেজন্য প্রশাসন দায়ী থাকবে না বলেও ব্যবসায়ীদের জানান তিনি।
হাট পরিদর্শনের সময় ইউএনও’র সঙ্গে ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার জাহিদুল করিম, মানবাধিকারকর্মী শিবুপদ বিশ্বাস ও বাজার কমিটির নেতারা।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে হাট চাঁদনীর সানসেট ভেঙে এক ব্যবসায়ী মারা যান। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। তারপরও ঝুঁকি নিয়ে ভবনটিতে ব্যবসা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। হাটটিতে ১৫৩ টি দোকানের মধ্যে ৮১৫ জন ব্যবসায়ী ব্যবসা করছেন বলে বাজার কমিটি সূত্রে জানা যায়।
এএইচ/