জেলা খাদ্য বিভাগ জানিয়েছে চুক্তিবদ্ধ ১০ জনের মধ্যে এ পর্যন্ত দুইজন চাল দিয়েছেন। শনিবার (২৯ জুলাই) পর্যন্ত চাল সংগ্রহের পরিমাণ মাত্র ২৫ টন। যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ৩৮৪৩ মেট্রিক টন। বোরো সংগ্রহে দর নির্ধারণ করা হয়েছে কেজি প্রতি ৩৪ টাকা।
কালো তালিকাভুক্ত মিল মালিক গোলাম সারোয়ার জানান, মিল মালিকরা ষড়যন্ত্র করে বোরো সংগ্রহ অভিযান বানচাল করে দিতে চায় এই ধারণায় সরকার আমাদের কালো তালিকাভুক্ত করে রেখেছে। বিকল্প হিসেবে সরকার চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিলেও আমদানির পর বাজারে চালের মূল্য কমেনি। প্রকৃত অর্থে ধানের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বাভাবিকভাবে চালের মূল্যও বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই কালো তালিকাভুক্তকরণ কোন সমাধান নয়। বোরো সংগ্রহ মূল্য বৃদ্ধিই এক্ষেত্রে যথাযথ সমাধান।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রেজাউল ইসলাম বোরো সংগ্রহ অভিযান এখন পর্যন্ত হতাশাজনক বলে স্বীকার করে বলেন, আমরা চেষ্টা করছি শেষ পর্যন্ত অভিযানকে সফল করার জন্য।
/এনআই/