আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন ঠাণ্ডু জানান, রঞ্জিত চন্দ্র দাস বিয়ের পর থেকে টানা চার বছর ঝিনাইগাতী উপজেলার হাতিবান্ধা গ্রামে শ্বশুর মনেন্দ্র দাসের বাড়িতে বসবাস করছিল।
২০১২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকালে ল্যাট্রিন ব্যবহার নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রঞ্জিত উত্তেজিত হয়ে তার শ্যালিকা চানবালা রানী দাসকে (২৮) দা দিয়ে উপুর্যপরি কোপাতে থাকে। ওই অবস্থায় বড়বোন সুমতি রানী দাস এগিয়ে গিয়ে চানবালাকে রক্ষার চেষ্টা করলে রঞ্জিত তাকেও কুপিয়ে রক্তাক্ত করে।
গুরুতর অবস্থায় দু’জনকেই জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সন্ধ্যায় চানবালা মারা যান। অন্যদিকে, ঘটনার পরপরই এলাকাবাসী রঞ্জিতকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। ওইদিনই চানবালার বাবা মনেন্দ্র দাস বাদী হয়ে ঝিনাইগাতী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
পরদিন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় রঞ্জিত। একই বছরের ২ মে রঞ্জিতের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রফিকুল ইসলাম তালুকদার। আদালতে ৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সোমবার রঞ্জিতকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন। এ মামলায় স্টেট ডিফেন্স হিসেবে আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট শক্তিপদ পাল।
/এএম