বিআইডব্লিউটিএ সূত্র জানায়, ২০১১ সালের ১৬ মে তৎকালীন ভূমি প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ১০ সদস্যের একটি টার্স্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়। ওই টার্স্কফোর্স কমিটি নদীর সীমানা পিলার স্থাপন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে নদীর তীর ও ফোরশোরের জায়গা এবং নদীর বর্ষাকালীন স্বাভাবিক প্রবাহ বিবেচনায় এনে সীমানা নির্ধারণ করে হাইকোর্টের রায় বাস্তবায়নে পিলার পুনঃস্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত দেন। বিআইডব্লিউটিএ, গণপূর্ত ও জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে শীতলক্ষ্যা নদীতে স্থাপন করা ৫০১১টি সীমানা পিলারের মধ্যে ২১৫৮টি সীমানা পিলার নিয়ে আপত্তি জানায় বিআইডব্লিউটিএ। বলা হয়, পিলারগুলো যথাস্থানে স্থাপন করা হয়নি। ২০১৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নদী রক্ষা কমিশনের সভায় জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের তৎকালীন চেয়ারম্যান আতাহারুল ইসলাম পিলারগুলোকে সঠিক স্থানে স্থাপন করে নদী রক্ষার নির্দেশ দেন।
বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক এ কে এম আরিফউদ্দিন বলেন, ‘জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন ও নদী রক্ষা টার্স্কফোর্স কমিটির নির্দেশনায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের যৌথ উদ্যোগে ২১৫৮টি সীমানা নির্ধারণী পিলারের পুনঃজরিপ কাজ বুধবার থেকে শুরু হয়েছে। সিটি মেয়র আইভীর সঙ্গে বিআইডাব্লিউটিএ চেয়ারম্যানের বৈঠকও হয়েছে।’ বিআইডব্লিউটিএ’র কাছ থেকে ছাড়পত্র নিয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্মাণ কাজ করবে বলে বৈঠকে সব পক্ষ সম্মত হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বৈঠকের কথা স্বীকার করে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘রাস্তা নির্মাণ নিয়ে বিআইডব্লিউটিএ’র কোনও আপত্তি নেই। তাই রাস্তা নির্মাণের জন্য সিটি করপোরেশনকে বিআইডিব্লিউটিএ অনাপত্তিপত্র দেবে বলে সংস্থাটির চেয়ারম্যান জানিয়েছেন।’
বন্দরের সোনাকান্দা এলাকা পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের যুগ্ম পরিচালক এ কে এম আরিফউদ্দিন, উপ-পরিচালক মো. শহীদুল্লাহ, সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম রেজা, নির্বাহী প্রকৌশলী এনামুল হক মোল্লা, বন্দরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) শবনম পারভীন প্রমুখ।
/টিআর/