হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক রাশিদা আক্তার সংবাদ সম্মেলনে জানান, গাজীপুরের সদর উপজেলার বানিয়ারচালা ভবানীপুর মোশারফ টেক্সটাইল গেট এলাকার মোতাহার মিয়ার বাড়িতে স্বামী এসএমএ আল মাহমুদ ও দুই সন্তানকে নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকেন তিনি। তার স্বামী স্থানীয় মোশারফ টেক্সটাইল ফ্যাক্টরিতে চাকরি করেন। কিছুদিন আগে মোবাইল ফোনে টাকা রিচার্জ করাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ব্যবসায়ী মাজাহারুল ইসলামের বাকবিতণ্ডা হয়।
রাশিদা বলেন, এসময় তার ছেলেকে মারধর করেন ওই ব্যবসায়ী। এ ঘটনার জেরে মাজহারুল তার লোকজন নিয়ে রাশিদার বাসায় হামলা চালিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা, শ্লীলতাহানী এবং পরিবারের সদস্যদের মারধর করেন। এসময় হামলাকারীরা বাসা থেকে বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় মাজাহারুলসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে জয়দেবপুর থানায় মামলা করেন রাশিদা। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. আব্দুল মোমিন তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।
ওই চিকিৎসক বলেন, এ ঘটনায় আসামিপক্ষ ক্ষিপ্ত হয়ে মামলা প্রত্যাহারের জন্য হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাতে থাকে। কিন্তু মামলা প্রত্যাহারে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা মামলার তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের নানাভাবে হয়রানি এবং হত্যার হুমকি দেয়। এতে তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা চেয়ে ওই চিকিৎসক প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সম্মেলনে রাশিদার স্বামী ও দুই সন্তান উপস্থিত ছিলেন।
/এএম