সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, ‘প্রতারকেরা কখনও পুলিশ সুপার, পুলিশ সার্জেন্ট, পরিবেশ অধিদফতরের সহকারী পুরচালক, বিএসটিআই কর্মকর্তা, আবার কখনও জেলা ছাত্রলীগ সভাপতিসহ বিভিন্ন নামে চাঁদাবাজি করত। শুক্রবার রাতে তারা আখাউড়া উপজেলার হীরাপুরে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে পুলিশ সুপারের নাম করে চাঁদাবাজি করছিলো। এসময় ওই ব্যবসায়ীর সন্দেহ হয়। পরে ওই ব্যবসায়ীর সহযোগিতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তাদের আটক করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিয়ে আসে। পুলিশের কাছে বিভিন্ন স্থানে প্রতারণার কথা শিকার করে এই তিন প্রতারক।’