টিসিবির বরিশাল কার্যালয়ের প্রধান হাওলাদার মো. মাসুম জানান, টিসিবির নির্ধারিত পণ্য বাজার দরের সঙ্গে তেমন একটা পার্থক্য না থাকায় ডিলাররা পণ্য উত্তোলন করেননি।
তিনি বলেন, ‘টিসিবির পণ্যের মূল্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে নির্ধারিত হয়ে ঢাকা প্রধান কার্যালয়ে আসে। সেখান থেকে মূল্য নির্ধারণ করে পাঠানো হয় আঞ্চলিক অফিসে। কাজেই মূল্য কমানোর ক্ষমতা আমাদের নেই। বর্তমান বাজার মূল্যের বিষয়টি প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে। যদি মূল্য কমানোর সিদ্ধান্ত আসে তাহলে তাৎক্ষণিক তা কার্যকর করা হবে। পণ্য তুলতে প্রত্যেক ডিলারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।’
টিসিবি বরিশাল কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল বিভাগে মোট ডিলার রয়েছেন ১২১ জন। এর মধ্যে সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ডিলারের সংখ্যা ৪৯ জন।
প্রতি ডিলারকে ৪০০ কেজি চিনি, ৩০০ কেজি মসুর ডাল ও ২৫০ লিটার সয়াবিন তেল দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। ডিলাররা ওই সব পণ্য ট্রাকে করে নির্ধারিত স্পটে বিক্রি করবেন।
প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ৮৫ টাকা, মসুর ডাল প্রতি কেজি ৭০ টাকা ও চিনি ৫৫ টাকা দরে ৫ লিটারের সয়াবিন তেলের ক্যান, চিনি ও মসুর ডাল বিক্রির কথা ছিল ডিলারদের।
একাধিক ডিলার অভিযোগ করেন, নগরীতে ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতারা এক কেজি মসুর ডাল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। আর চিনি বিক্রি হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে। ফলে ক্রেতারা লাইন দিয়ে টিসিবির পণ্য কিনতে চাচ্ছেন না। এছাড়া পণ্যের গুণগত মান নিয়েও রয়েছে নানা অভিযোগ।
টিসিবির পণ্যের মূল্য আর বর্তমান বাজার মূল্যের মধ্যে তেমন একটা পার্থক্য নেই। তাই যে দামে টিসিবি পণ্য দিচ্ছে সেই দামে খোলা বাজারে পণ্য পাওয়া যাওয়ায় লাইন দিয়ে কেউ টিসিবির পণ্য নিতে আগ্রহী না। ফলে লোকসানের অজুহাতে তারা পণ্য নিচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন টিসিবির ডিলার শাহ আলম মিয়া।