গণধর্ষণের পর খুন হওয়া তরুণীর পরিচয় মিলেছে

 

ধর্ষণটাঙ্গাইল জেলার মধুপুরে চলন্ত বাসে গণধর্ষণ ও খুনের পর বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা সেই তরুণীর পরিচয় মিলেছে। তার বাড়ি সিরাজগঞ্জের তাড়াশে। বেওয়ারিশ হিসেবে দাফনের পর গণমাধ্যমে নিহতের ছবি দেখে তিন দিন পর স্বজনরা পরিচয় নিশ্চিত করেন।

তিনি ঢাকার একটি কলেজে এলএলবিতে পড়তেন।

মধুপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানান, শিক্ষক নিববন্ধন পরীক্ষা দিয়ে গত শুক্রবার রাতে বগুড়া থেকে ছোঁয়া পরিবহনের একটি বাসে করে সিরাজগঞ্জ থেকে ময়মনসিংহ যাচ্ছিলেন। যাওয়ার পথে টাঙ্গাইলের মধুপুরে তিনি ধর্ষণের শিকার হন। বাসের চালক, হেলপার ও সুপারভাইজার মিলে তাকে ধর্ষণ করে। এরপর তাকে খুন করার পর লাশ ফেলে রেখে তারা পালিয়ে যায়।

ওসি জানান, বাসের চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারসহ পাঁচজনকে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তিনজন ধর্ষণ ও হত্যায় জড়িত থাকার কথা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার জন্য তাদের আদালতে পাঠানো হচ্ছে। শুক্রবার (২৫ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের পাশে মধুপুর উপজেলার পঁচিশ মাইল এলাকায় ওই তরুণীর লাশ পাওয়ার পর হত্যার আলামত পাওয়া যায়। অজ্ঞাতনামা আসামি উল্লেখ করে একটি মামলাও করা হয়। কিন্তু মেয়েটির পরিচয় জানতে না পারায় ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার (২৬ আগস্ট) বিকালে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থানে বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করা হয়। এরপর গণমাধ্যমে লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে সোমবার রাতে মধুপুর থানায় গিয়ে ছবি দেখে শনাক্ত করে তার পরিবার। পরে তরুণীর বড় ভাই ছোঁয়া পরিবহনের শ্রমিকদের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেন।                

আরও পড়ুন:

টাঙ্গাইলে চলন্ত বাসে গণধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় আটক ৫