ঈদে বরিশাল মহানগরের নিরাপত্তায় ১৪শ পুলিশ

পুলিশ

ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে বরিশাল মহানগরের লঞ্চঘাট, বাসস্ট্যান্ড, পশুর হাট, বাজার ও শপিংমলগুলোর জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা হাতে নেওয়া হয়েছে। এসব জায়গায় মেট্রোপলিটন পুলিশের ১৪শ’ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। পোশাকধারী পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকে নারী ও পুরুষ সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানিয়েছেন নগর পুলিশ কমিশনার এসএম রুহুল আমিন।

মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিং-এ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার এসএম রুহুল আমিন এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘বরিশাল নগরের বিভিন্ন স্থানে সিসি ক্যামেরা বসিয়েছে সিটি করপোরেশন। সেগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করবো আমরা। এরমধ্যেই নগরের অনেক মার্কেট ও বাসাবাড়িতে সিসি ক্যামেরা বসিয়েছেন নগরবাসী। লঞ্চেও সিসি ক্যামেরা রয়েছে। যা অপরাধীদের সনাক্ত করতে কাজে আসছে।’

নগর পুলিশ কমিশনার আরও বলেন, ‘মূলত প্রতিবছরই ঈদসহ ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোর সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। এবারের কোরবানি ঈদকে ঘিরে এরই মধ্যে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সদস্যরা মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করেছে। স্বাভাবিক  টহলের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসানো হচ্ছে। নগরজুড়ে গোয়েন্দা শাখার পাশাপাশি সাদা পোশাকধারী পুলিশও রয়েছে।’

নগরের নিরাপত্তার পাশাপাশি ঈদগাহ ও ঈদের জামাতকে ঘিরে মেটাল ডিটেক্টরসহ পুলিশের টহল জোরদার থাকবে। জঙ্গি হামলার মতো ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে না। তবে সব ধরণের পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি থাকবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

পশুর হাটের ব্যাপারে পুলিশ কমিশনার এসএম রুহুল আমিন জানান, হাটের ইজারাদারদের নিয়ে বৈঠক হয়েছে। গরুর হাটের নিরাপত্তায় পুলিশের পাশাপাশি ইজারাদারদের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখতে বলা হয়েছে। প্রতিটি হাটে সিসি ক্যামেরা বসানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বরিশালের যেসব স্থানে টোল আদায় করা হয়, সেসব স্থানে যাতে পশু বহনকারী ট্রাক বা যানবাহনগুলো থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা না হয় সে ব্যপারে নজরদারি রাখা হচ্ছে। এছাড়াও জাল টাকা সনাক্তে মেশিন সহ জনবল নিশ্চিত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।