কেন্দুয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতে বলাইশিমুল ইউপি চেয়ারম্যান আলী আকবর তালুকদার মল্লিক, কর্মচারী ইলিয়াস,সাদেক মিয়া, অটোরিকশা চালক জুয়েল মিয়া ও জুলহাস মিয়াকে আসামি করে এ মামলা করেন।
জানা গেছে, আগাম বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলার বলাইশিমুল ইউনিয়নের কৃষকদের বিশেষ ত্রাণ (ভিজিএফ) প্রদানের লক্ষ্যে গত এপ্রিল মাসে ওই ইউনিয়নের ৩৭৬ জন কৃষকের নামের একটি তালিকা করা হয়। তালিকাভুক্ত প্রত্যেক কৃষককে গত মে থেকে প্রতি মাসে ৩০ কেজি চাল ও ৫০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত রবিবার ৩০৮ জন সুবিধাভোগীর মধ্যে আগস্ট মাসের চাল ও টাকা বিতরণ করা হয়। তবে ওইদিন ৬৮ জন সুবিধাভোগী অনুপস্থিত থাকায় তাদের ৪০ বস্তা চাল পরে বিতরণের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে রাখা হয়।
মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে চেয়ারম্যানের নির্দেশে ইউনিয়ন পরিষদের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সাদেক মিয়া দুটি অটোরিকশাযোগে ওই ৪০ বস্তা থেকে ১৬ বস্তা চাল কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে পাচার করার প্রস্তুতির সময় খবর পেয়ে কেন্দুয়া থানা পুলিশ গিয়ে চালসহ ৩ জনকে আটক করে।
মামলার বাদী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, চেয়ারম্যান ঘটনাস্থলে না থাকলেও আটক সাদেক মিয়ার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে চেয়ারম্যানকে আসামি করা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত বলাইশিমুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আকবর তালুকদার মল্লিক বলেন,‘৬৮ জন কার্ডধারীর ৪০ বস্তা চাল পরিষদে মজুদ ছিল। কিন্তু আমি নেত্রকোনা থাকার সুযোগে আমাকে বিপদে জড়ানোর জন্য ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সাদেক এ ঘটনা ঘটিয়েছে।’
এ ব্যাপারে কেন্দুয়া থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে। পাঁচদিনের রিমান্ড চেয়ে আটকদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।’