ঝালকাঠি জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলায় হাট রয়েছে ১৬টি। এরমধ্যে অস্থায়ী হাটের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে শহরের গুরুদাম ও পিপলিতা এলাকার শিমুলতলা বাজারে। নলছিটি উপজেলায় হাট রয়েছে ১৮টি। এরমধ্যে অস্থায়ী হাটের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে শহরের চায়না মাঠ ও কালিজিরা ব্রিজের পশ্চিম ঢালে। রাজাপুর উপজেলায় হাট রয়েছে ১৬টি। এরমধ্যে অস্থায়ী হাটের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে আলগী জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে। কাঠালিয়া উপজেলায় হাট রয়েছে ১৪টি। এরমধ্যে অস্থায়ী হাটের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বটতলা বাজারে।
জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, ঝালকাঠি জেলায় প্রাকৃতিকভাবে গরু মোটাতাজা করার খামারি রয়েছে তিন হাজার ২৬৬ জন। এদের খামারে গরু মোটাতাজা করা হয়েছে ১৬ হাজার ৯৩৩টি। সদর উপজেলার এক হাজার ১৬৬ জন খামারির গরু মোটাতাজা করণের আওতায় রয়েছে চার হাজার ২৬০টি। নলছিটি উপজেলার এক হাজার ২০ জন খামারির গরু মোটাতাজা করণের আওতায় রয়েছ আট হাজার ১৯৭টি। রাজাপুর উপজেলার ৬৭৫ জন খামারির গরু মোটাতাজা করণের আওতায় রয়েছে দুই হাজার ৫১৮টি। কাঠালিয়া উপজেলার ৪০৫ জন খামারির গরু মোটাতাজা করণের আওতায় রয়েছে এক হাজার ৯৫৮টি।
সদর উপজেলা প্রণিসম্পদ কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘প্রত্যেক খামারিকে প্রথমে গাভীর বাচ্চা (বাছুর) নির্বাচনের পর কৃমিমুক্ত করতে হবে।
প্রাকৃতিক ঘাস, দানাদার খাবার, খৈল, ভূষি, ভাতের মাড় এবং বৈজ্ঞানিক উপায়ে তৈরী ইউরিয়া মোলাসেস স্টপ (ইউএমএস) পদ্ধতি ব্যবহার করে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন উপায়ে গরু মোটাতাজা করা হয়ে থাকে।’
নলছিটি উপজেলার বড় প্রেমহার গ্রামের খামারি মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ‘১২ টি বাছুর নিয়ে গত বছর খামার করেছিলাম। এ বছর বেশ বড় হয়েছে। স্থানীয় কিছু ধনাঢ্য ব্যক্তি কোরবানির পশুহাট শুরু করার আগেই গরু গোয়াল থেকেই কিনে রেখেছে। এতে আমার বেশ লাভ হয়েছে।