ঈদের বেশ কয়েকদিন আগে থেকে শুভেচ্ছা জানানোর মাধ্যমে আসন্ন রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) নির্বাচনের প্রচারণা শুরু করেন সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা। তবে বিভিন্ন এলাকার সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত নগরীর প্রধান ঈদের জামাতকে বেছে নিয়েছেন তারা। এ কারণে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের মিলনমেলাতেও পরিণত হয় এবারের ঈদগাহ মাঠ। তবে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী কাওছার জামান বাবলা মাহিগঞ্জের নিজ এলাকায় ঈদের নামাজ আদায় ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
কালেক্টরেট মাঠে এবার ঈদের নামাজ পড়তে আসেন বর্তমান রসিক মেয়র সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু, আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী চৌধুরী খালেকুজ্জামান ও রেজাউল ইসলাম মিলন, জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা।
আগামী নির্বাচনেও মেয়র পদে নির্বাচন করতে চান জানিয়ে নগরবাসির কাছে দোয়া ও সহযোগিতা চেয়েছেন আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত বর্তমান মেয়র সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু। তিনি ছাড়া অন্যান্য সম্ভাব্য প্রার্থীরাও নামাজের পর প্রায় চল্লিশ মিনিট সময় কাটান জনসাধারণের সঙ্গে।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ও সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী চৌধুরী খালেকুজ্জামান জানান, তিনি অনেক আগে থেকে সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচনের জন্য প্রচারণা চালাচ্ছেন। এদিকে রংপুর মেট্রোপলিটান চেম্বার সভাপতি ও আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী রেজাউল ইসলাম মিলন তিনিও এসেছিলেন কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করতে।
জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা জানান, প্রায় ছয় থেকে সাত মাস আগেই দলের চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদ তাকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছেন। ভোটারদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন বলেও জানান তিনি।
সম্ভাব্য সব মেয়র প্রার্থীকে একসঙ্গে একই মাঠে দেখার ব্যাপারে স্থানীয়রা বলেন, ‘ভোটের আগে অনেক ভালো কথা বলেন প্রার্থীরা, পরে কথার সঙ্গে কাজের খুব একটা মিল থাকে না।’ তবুও ভোটারদের সঙ্গে তাদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে আসাকে ভালো উদাহরণ বলে মনে করছেন লোকজন। এদিকে ঈদের পর বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন বলে জানিয়েছেন সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা।