সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উপভোগ করার জন্য বাংলাদেশের একমাত্র সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা। কোরবানির ঈদের ছুটিতে আগত পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে প্রস্তুত ‘সাগর কন্যা’ খ্যাত এই সৈকত। ইতোমধ্যেই পর্যটক আকর্ষণে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, হোটেল-মোটেল ও রেস্তোরাগুলো সংস্কার করে নান্দনিক সাজে সাজানো হয়েছে। দোকানিরা হরেক পণ্যের পসরা সাজিয়ে পর্যটকের অপেক্ষায় রয়েছেন। ঈদ পরবর্তী সময়ে কুয়াকাটায় লক্ষাধিক পর্যটকের সমাগমে মিলন মেলায় পরিণত হবে দীর্ঘ ১৮ কিলোমিটার সৈকত। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নানা পদক্ষেপও নিয়েছে পৌরসভা প্রশাসন ও কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ।
হোটেল ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের ছুটিতে হোটেলের রুম আগাম বুকিং দিয়ে রেখেছেন পর্যটকরা। পর্যটন এলাকায় ছোট-বড় হোটেলের বেশিরভাগ রুম ইতোমধ্যে বুকিং হয়ে গিয়েছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকলে ঈদ পরবর্তী এক সপ্তাহ কুয়াকাটায় লক্ষাধিক ভ্রমণপিপাসু পর্যটকের আগমন ঘটবে।
কুয়াকাটা পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌরসভা মেয়র আব্দুল বারেক মোল্লা বলেন, ‘পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে সভা করা হয়েছে। পরিচ্ছন্নতার কাজ ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। এবার ঈদের পর লক্ষাধিক পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হবে কুয়াকাটা।’
কুয়াকাটার ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের এএসপি আবদুল করিম বলেন, ‘কুয়াকাটায় পর্যটকদের নির্বিঘ্নে বিভিন্ন স্পট পরিদর্শনের জন্য সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা হাতে নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্পটে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। পুলিশের টহল ভ্রাম্যমাণ দল সার্বক্ষণিক পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত থাকবে। সঙ্গে গোয়েন্দা সদস্যদের একটি দলও থাকবে মাঠে। সৈকতে থাকবে উদ্ধারকারী একটি টিম।