সন্তোষ রাজবংশী বলেন, ‘মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় লোকজন মন্দির প্রাঙ্গণে ভাঙচুর করা মূর্তিগুলো এলোমেলো পড়ে থাকতে দেখে মন্দির কমিটিকে খবর দেয়। পরে সিংগাইর থানা পুলিশের একটি ক্রাইমসিন দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত সংগ্রহ করে।’
মন্দির কমিটির অন্যান্য সদস্যরা জানান, মন্দিরের দখলে থাকা খাস জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে মূর্তি ভাঙচুর করা হয়েছে।
সিংগাইর থানার ওসি খন্দকার ঈমাম হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। খুব শিগগিরই দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।