কুতুপালং শিবির পরিদর্শনকালে তিনি অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা শোনেন। এসময় রোহিঙ্গারা তাদের ওপর মিয়ানমার সরকারের অমানবিক আচরণের বর্ণনা দেন।
পরিদর্শন শেষে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী মায়া আরও বলেন, ‘রোহিঙ্গারা প্রাণ বাঁচাতে এদেশে পালিয়ে এসেছেন। তাই তাদের সঙ্গে মানবিক আচরণ করা হবে। প্রধানমন্ত্রীও সেই কথা বলেছেন।’ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের অস্থায়ীভাবে থাকার জন্য ১৫শ’ ৪০ একর জমি চিহ্নিত করা হচ্ছে। সরকার ও বিভিন্ন এনজিও রোহিঙ্গাদের সাহায্য ও সহযোগিতা দিচ্ছে। ’
ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশসহ সবার সঙ্গে সুসম্পর্কে বিশ্বাস করে। আলাপ আলোচনা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে অতি অল্প সময়ের মধ্যে এ সংকটের সমাধান হবে। ’
এসময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন, সাবেক আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু, মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সচিব শফিউল আলম, স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা।
আরও পড়ুন: চেহারা ও ভাষার মিল থাকায় চট্টগ্রামে মিশে যাচ্ছে রোহিঙ্গারা