আলেয়া বেগম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমি নিজেই অসুস্থ। অর্থের অভাবে আমি ও আমার সন্তানরা চিকিৎসা করাতে পারি না। খুব অসহায় অবস্থায় দিন যাপন করছি। পরিবারের একমাত্র উপার্জক্ষম আমার স্বামী কৃষি কাজ করে সংসার চালাতেন। ছয় বছর আগে তিনিও মারা যান। এরপর থেকে পরিবারে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার দুই ছেলে ও চার মেয়ে। তারা হলো- মো. ফারুক (২৯), আছমা আক্তার মুক্তা (২৭), মো. মনছুর আলম (২৬), কহিনুর আক্তার (১৮), মোকশেদা আক্তার (১৬) ও খোরশেদা আক্তার (১৪)। এদের মধ্যে বড় ও ছোট মেয়ে সুস্থ হলেও অন্য সবাই প্রতিবন্ধী। বড় মেয়ে আছমা আক্তার মুক্তার বিয়ের কয়েক বছর পর তার স্বামী মারা যায়। ফলে সে ও তার একমাত্র কন্যা সন্তান আমাদের ওপর নির্ভরশীল।’
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল হায়দার চৌধুরী জানান, চার প্রতিবন্ধী সন্তানকে ইতোমধ্যে প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি অনুদান দেওয়া হচ্ছে, ভবিষ্যতেও দেওয়া হবে।’
ছাগলনাইয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিদা ফাতেমা চৌধুরী বলেন, ‘সরকারিভাবে পরিবারটির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
আরও পড়ুন:
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের যেভাবে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া যাবে
উ. কোরিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিশু খাদ্যের সংকট
বায়োমেট্রিক নিবন্ধন শুরু: ছড়িয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের নেওয়া হচ্ছে এক ক্যাম্পে