নিহত আনু মিয়া উপজেলার কলাকান্দি ইউনিয়নের আফজালকান্দি গ্রামের মৃত আবদুল ছালাম মিয়ার ছেলে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মোস্তাফা ফকিরের দুই স্ত্রী ও ছেলে-মেয়েসহ সাত জনকে আটক করেছে পুলিশ।
তিতাস থানার ওসি মো. নুরুল আমিন বলেন, ‘দুই সতীনের মধ্যে ঝগড়া থামাতে গিয়েছিলেন দেবর আনু মিয়া। তবে প্রাথমিক সুরতহালে তার শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ছাড়া কিছু বলা যাচ্ছে না। প্রাথমিক জিজ্ঞাসার জন্য ঝগড়ার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের সাত জনকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আফজালকান্দি গ্রামের মৃত আবদুল সালামের ছেলে মোস্তাফা ফকির দুই বিয়ে করেন। প্রথম হাসিনা বেগম (৫০) এর সঙ্গে দ্বিতীয় স্ত্রী ফাতেমা বেগমের (৪০) পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে ছোট স্ত্রী ফাতেমা বেগম ও তার ছেলে-মেয়েরা বড় স্ত্রী হাসিনা বেগমকে মারধর শুরু করে। দেবর আনু মিয়া ঝগড়া থামাতে যান। ঝগড়া থামানোর এক পর্যায়ে ধাক্কা খেয়ে আনু মিয়া মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তখন পাশের লোকজন তাকে মুরাদনগর উপজেলার বাখরাবাদের একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।