ইলিশ শিকারের দায়ে শরীয়তপুরে ১০ জেলের দণ্ড

ইলিশ সংগ্রহে নিষেধাজ্ঞা

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পদ্মা নদীতে ইলিশ ধরার অপরাধে শরীয়তপুরে গত তিন দিনে ১০ জেলেকে দণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। রবিবার (১ অক্টোবর) তিন জেলেকে জরিমানা এবং মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) সাত জেলেকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আব্দুস সালাম মঙ্গলবার বাংলা ট্রিবিউনকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর বাজারে ইলিশ মাছ রান্নার অপরাধে এক হোটেল মালিককে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘নদীতে ইলিশ ধরা বন্ধ রাখতে পদ্মা ও মেঘনা নদী সংলগ্ন জেলার চারটি উপজেলায় কোস্টগার্ডের পাশাপাশি অতিরিক্ত নয়টি টিম কাজ করছে। গত দুই দিনে জেলেসহ মোট ১১ জনকে কারাদণ্ড ও জরিমানা করা হয়েছে।’ অভিযানের সময় জব্দকৃত মাছ বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

জেলা মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ইলিশ ধরার অপরাধে মঙ্গলবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভেদরগঞ্জ ও নড়িয়া উপজেলায় পদ্মা নদীতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় নড়িয়া থেকে পাঁচ জন ও ভেদরগঞ্জ থেকে দু’জন জেলেকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল, দু’টি নৌযান ও ৫০ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে পাঁচ জেলেকে এক মাস ও দুই জেলেকে বিশ দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এর আগে রবিবার জাজিরা উপজেলার পালেরচর ও নড়িয়ার উপজেলার সুরেশ্বর থেকে তিন জেলেকে ১৬ হাজার আটশ’ মিটার কারেন্ট জালসহ আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের ১৩ হাজার টাকা জরিমানা এবং মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।